«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

মির্জা ফখরুলের বক্তব্য হাস্যকর : তথ্যমন্ত্রী

রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০ | ৩:২৮ পূর্বাহ্ণ | 29 বার

মির্জা ফখরুলের বক্তব্য হাস্যকর : তথ্যমন্ত্রী

মহানন্দা নিউজ-



বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে বাংলাদেশ বেতারের উদ্যোগে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবরা যখন কথা বলেন, তখন ভুলে যান তারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন কী করেছেন। এ জন্য এ রকম লাগামহীন কথা বলতে পারেন।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার এ ধরনের ঘটনা অতীতে যেগুলো ঘটেছে, সেগুলোর বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়েছে। এখনো যেগুলো ঘটছে, সেগুলোরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারা তো দলগতভাবে এসব অপকর্ম করেছে। নৌকায় ভোট দেওয়ার অপরাধে আট বছরের শিশু থেকে শুরু করে অন্তঃসত্ত্বা নারী, ষাট বছরের বয়স্ক নারী পর্যন্ত কেউ রক্ষা পায়নি বিএনপির লেলিয়ে দেওয়া বাহিনীর হাত থেকে। যারা নারী নির্যাতন-ধর্ষণগুলো দলগতভাবে অতীতে করেছে এ নিয়ে যখন তারা কথা বলে, তখন হাস্যকর হয়ে দাঁড়ায়।

হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে যেই ঘটনাগুলো ঘটছে, এগুলো যে আগে ঘটেনি, তা কিন্তু নয়। আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকতা ছিল না বিধায় সেগুলো মানুষ জানতে পারত না। নোয়াখালীর ঘটনাটা কোনো টেলিভিশন কিংবা কোনো পত্রপত্রিকায় এমনকি কোনো অনলাইনেও প্রথম প্রকাশ করেনি। এটি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, এরপর অন্যান্য মূলধারার গণমাধ্যম সেটি নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেছে।

অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে কিন্তু এখন কোনো ঘটনাই ঢাকা থাকে না। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভালো দিক।

মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে বেতারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন স্বাধীন বাংলা বেতারের কথা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। দেশ বিনির্মাণে বেতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বেতারের অনেকগুলো অনুষ্ঠান অত্যন্ত ভালো এবং জনমানুষের কাছে সেই অনুষ্ঠানমালার ব্যাপক আবেদন রয়েছে। আমাদের কৃষ্টি সংস্কৃতিকে লালন করার ক্ষেত্রে বেতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দুর্যোগ-দুর্বিপাকে বেতারই কিন্তু মানুষের কাছে খবর পৌঁছায়। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্মার্টফোনের ব্যাপকতা বেড়েছে তখন একটি রেডিও বহন করা সম্ভব নয়। তাই রেডিওকে অ্যাপসের মাধ্যমে টেলিফোনে আনার উদ্যোগ নিয়েছি। এখন অ্যাপসের মাধ্যমে বিভাগীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ বেতার মোবাইলেও শোনা যায়।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ১০০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও আশপাশে পাহাড়সহ নানা কারণে ফেনীতেও চট্টগ্রাম বেতারের অনুষ্ঠান শোনা যায় না। অথচ ১০০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন খুলনা কেন্দ্রের অনুষ্ঠান প্রতিবন্ধকতা না থাকায় এখানে শোনা যায়। গুরুত্ব বিবেচনায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ নানা সংবাদ ও কৃষ্টি সংস্কৃতির চাহিদা রয়েছে সারা দেশে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঢাকা কেন্দ্রের মতো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে আপলিঙ্ক করে সেটি আবার বিভিন্ন বেতারকেন্দ্রে ডাউনলিঙ্ক করে সারা দেশে শোনানো হয় চট্টগ্রাম বেতারকেন্দ্রের অনুষ্ঠানও খুব শিগগির সেভাবে উদ্বোধন হবে। এটি চট্টগ্রাম বেতারকেন্দ্রের ইতিহাসে বিরাট মাইলফলক হয়ে থাকবে।

বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক হোসনে আরা তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ, চট্টগ্রাম বেতারের পরিচালক এস এম আবুল হোসেন প্রমুখ।

 

 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

রিশিকুল ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন আ’লীগ নেতা সফিকুল সরকার

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল