«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

সাপ্তাহিক বাজারদর: পেঁয়াজের কেজি ৯০ টাকা

শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ | 36 বার

সাপ্তাহিক বাজারদর: পেঁয়াজের কেজি ৯০ টাকা

দুই দিনের ব্যবধানে আবারও বেড়েছে

পেঁয়াজের দাম। রাজধানীর খুচরা বাজারে

কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি

হয়েছে ৮৫-৯০ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি

হয়েছে ৭৫-৮০ টাকা কেজি। এ ছাড়া মাত্র

একদিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে কেজিতে

কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে ৪০-৬০ টাকা। বাজারে

সব ধরনের সবজির দাম চড়া।

তবে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, গরু ও খাসির মাংসের

দাম স্থিতিশীল দেখা গেছে। রাজধানীর নয়াবাজার,

শান্তিনগর কাঁচাবাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে বৃহস্পতিবার

এসব তথ্য পাওয়া গেছে। রামপুরা বাজারের খুচরা

বিক্রেতা মো. মকবুল হোসেন বলেন, দুই

দিনের ব্যবধানে নতুন করে পেঁয়াজের দাম

কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে। যে দেশি পেঁয়াজ

দুই দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৮০-৮৫ টাকা কেজি,

বৃহস্পতিবার বিক্রি করছি ৮৫-৯০ টাকা।

আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি করছি ৭৫-৮০ টাকা। যা

গত দুই দিন আগে বিক্রি হয় ৭০-৭৫ টাকায়। তিনি

বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে পাইকারি আড়তে গিয়ে

দেখি দাম বাড়তি। কিন্তু কোনো আড়তে সংকট

নেই।

এদিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাইকারি

পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. আবদুল মালিক বলেন,

পাইকারিতেও দুই দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম

কেজিতে ৩-৪ টাকা বেড়েছে। এ দিন দেশি

পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭২-৭৩ টাকা কেজি। আর

ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫-৬৬।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা

মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রথমে খুচরা বাজারে

পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে দেখি কেজিতে নতুন

করে ৫ টাকা বেড়েছে। তাই একই বাজারের

পাইকারি আড়ত থেকে ৫ কেজি করে পেঁয়াজ

কিনতে এসে দেখি এখানেও দাম বেড়েছে।

তবে লক্ষ করলাম একই বাজারের মধ্যে পাইকারি ও

খুচরা পর্যায়ে দামের ব্যবধান অনেক বেশি।

পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজ

কেজিতে ১৩-১৭ টাকা বেশিতে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পাইকারি থেকে খুচরায় বেশি হলে ৫

টাকার ব্যবধান থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু এক লাফে ১৭ টাকা,

যা কখনই মানা যায় না। বাজার তদারকি সংস্থাগুলো কি এসব

বিষয়ে লক্ষ করতে পারে না?

অন্যদিকে নয়াবাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা সুমন

বলেন, প্রতিদিনই পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। তবে

পত্রিকায় পড়ছি বাণিজ্য সচিব বলেছেন, দেশে

পেঁয়াজের কোনো ঘাটতি নেই। নতুন করে

আরও বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে।

তাহলে বাজারে দাম কমছে না কেন? যদি তাদের

কথা ঠিক থাকে তাহলে নিশ্চয় বাজারে কোনো

সিন্ডিকেট পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি করছে। বাজার

অস্থিতিশীল করে রেখেছে। এসব বিষয়

খতিয়েও দেখছে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু

আমাদের মতো সাধারণ মানুষের ভোগান্তিতে

পড়তে হচ্ছে।

কারওয়ান কাজারের পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা

গেছে, একদিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম

কেজিতে ৪০-৬০ টাকা বেড়ে মানভেদে বিক্রি

হয়েছে ৮০-১০০ টাকায়। যা বুধবার বিক্রি হয়েছে

৩০-৪০ টাকায়। পাইকারি বিক্রেতা সিকান্দার বলেন,

বৃষ্টিতে মাঠে কাঁচামরিচের ক্ষতি হয়েছে। তাই

রাজধানীর বাজারে সরবরাহ কম। বিভিন্ন জেলা

থেকে রাজধানীর পাইকারি বাজারে বেশি দামে

কাঁচামরিচ এসেছে। যার কারণে বেশি দামে কিনে

বেশি দামে বিক্রি করছি।

বাজার ঘুরে সব ধরনের সবজি চড়া মূল্যে বিক্রি

করতে দেখা গেছে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা

বলে জানা গেছে, শীতের আগাম সবজি শিমের

কেজি ১১০-১২০ টাকা। প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি

হয়েছে ৪০-৫০ টাকা। একটু বড় সাইজের ফুলকপি

৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। মুলা বিক্রি

হয়েছে ৫৫-৬০ টাকা কেজি। ছোট আকারের লাউ

বিক্রি হয়েছে ৭০-৮০ টাকা পিস। পাকা টমেটো মান

ও আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি,

গাজর বিক্রি হয়েছে ৭০-৮০ টাকা কেজি, করলা বিক্রি

হয়েছে ৬০-৭০ টাকা কেজি।

নয়াবাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আরিফ বলেন,

কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজির দাম বেশ চড়া। লাভের

আশায় কৃষক শীতের আগাম সবজি চাষ করেছেন।

যা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তবে থেমে থেমে

বৃষ্টির কারণে সবজি বাজারে আনার পথে নষ্ট

হচ্ছে। এর জন্য দাম একটু বেড়েছে।

এদিকে এক কেজি ওজনের ব্রয়লার মুরগি বিক্রি

হয়েছে ১৩০-১৪০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে একই

দামে বিক্রি হয়েছে। লাল লেয়ার মুরগি ২২০-২৩০

টাকা, পাকিস্তানি কক ২২০-২৫০ টাকা কেজি, গরুর মাংস

৫৫০-৫৭০ টাকা ও খাসির মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকা কেজি

দরে বিক্রি হয়েছে।

এদিন সব ধরনের মাছের দাম স্থিতিশীল পাওয়া

গেছে। বাজারভেদে এক কেজি ইলিশ

১১০০-১২০০ টাকা, ৯০০ গ্রামের প্রতি পিস ইলিশ ১০০০

টাকা, ৮০০ গ্রামের ৮৫০-৯০০ টাকা, ৭০০ গ্রামের

৭০০-৭৫০ টাকা ও ৫০০ গ্রামের প্রতি পিস ইলিশ

৩০০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্য সব মাছ গত

সপ্তাহের দামে বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি

তেলাপিয়া ১৪০-১৫০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৫০-১৬০, চাষের

রুই ৩৫০-৪০০, পাবদা ৬০০-৭০০, টেংরা ৬০০-৭০০, শিং

৪০০-৫৫০, বোয়াল ৫০০-৭০০, চিংড়ি ৬০০-৮০০ ও চিতল

৫০০-৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

বাগেরহাট  মোরেলগঞ্জ প্রেস ক্লাবের নির্বাচন সস্পন্ন  লিপন সভাপতি, মাসুম সম্পাদক

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল