«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি

সোমবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ | 33 বার

ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেয়ার বিষয়ে

কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক

পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সচিবালয়ে রোববার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত রবার্ট

মিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের

প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ

হাসিনার ক্ষোভের বিষয়ে তিনি বলেন, যতক্ষণ এটা

সিদ্ধান্ত আকারে না আসছে, ততক্ষণ এর সত্যতা

আমি স্বীকার করব না।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভায়

শনিবার রাতে ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষোভ প্রকাশের

বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এ

বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন,

আমাদের যে মিটিং ছিল, সেটা পার্লামেন্টারি বোর্ড

এবং স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের

যৌথসভা। রংপুরের উপনির্বাচন, ২২টি ইউনিয়ন পরিষদ,

তিনটি পৌরসভা ও সাতটি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন

হচ্ছে অক্টোবরে। এজন্যই আমরা প্রার্থী ঠিক

করতে বসেছিলাম।

ওই মিটিংয়ে ছাত্রলীগের বিষয়ে কোনো

সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কথা

প্রসঙ্গে হয়তো কথা আসে। এটা নিয়ে সিদ্ধান্ত

আকারে কোনো কথা হয়নি। কোনো বিষয়ে

সিদ্ধান্ত নেয়ার ফোরাম ওটা (বৈঠক) ছিল না। ওখানে

ইনসাইডে আমরা অনেক কথাই বলতে পারি, অনেক

আলোচনাই করতে পারি। এখানে কোনো

কোনো প্রসঙ্গে ক্ষোভের প্রকাশও হতে

পারে বা কারও কারও রিঅ্যাকশনও আসতে পারে।

কিন্তু অ্যাজ এ জেনারেল সেক্রেটারি অব দ্য

পার্টি, আমার এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা এ

মুহূর্তে ঠিক হবে না। যতক্ষণ না এটা

ইমপ্লিমেন্টেশন প্রসেসে যায়। এখানে

ক্ষোভের প্রকাশ ঘটতে পারে, প্রতিক্রিয়া হতে

পারে; কিন্তু সিদ্ধান্ত আকারে কিছু হয়নি।

ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী

ক্ষুব্ধ কি না- এমন প্রশ্নে সেতুমন্ত্রী বলেন,

কিছু কিছু ব্যাপারে তো থাকতেই পারে। যেমন-

আমাদের ইলেকশনে যারা বিদ্রোহী ছিল,

আমাদের মন্ত্রী-এমপিদের মধ্যে, নেতাদের

মধ্যে- এসব ব্যাপারে তো ক্ষোভ প্রকাশ হয়।

কাজেই ছাত্রলীগেরও বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্ত কিছু কিছু

ব্যাপার আছে, সেগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী

কনসার্ন থাকতেই পারেন। এটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু

কোনো স্পেসিফিক সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমি জানি

না, কারণ ওই ফোরামে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে

আলোচনার বিষয় আসেনি।

ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে

গণভবন থেকে চলে যেতে বলেছেন বলে

খবর এসেছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে

তিনি বলেন, আমি তাদের চলে যেতে বলব

কেন? বিভিন্ন জেলা থেকে নেতারা গেছে,

ছাত্রলীগ গেছে। প্রাইমমিনিস্টারের বাড়িতে তারা

দেখা করতে গেছে, আমি কীভাবে বলি

তোমরা এখান থেকে চলে যাও। আসলে কিছু

কিছু খবর হাওয়া থেকে পাওয়া হয়ে যায়, একটা হয়

আরেকটা আসে। নানাভাবে ছড়ায়। বাস্তবতাটা ভিন্ন।

আমার মনে হয়, এ ধরনের কিছু হলে আপনারা

তো দেখবেনই। এ ধরনের কিছু হতে গেলে

তো এটা পাবলিক স্টেটমেন্ট। ডিসিশনটা জানা যাবে,

এটা তো ওপেন সিক্রেট হয়ে যাবে, তখন

সিক্রেট থাকবে না।

প্রধানমন্ত্রী মিটিংয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে এ কথা

বলেছেন কি না জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের

বলেন, যতক্ষণ এটা সিদ্ধান্ত আকারে না আসছে,

ততক্ষণ এর সত্যতা আমি স্বীকার করব না।

ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড

নিয়ে সন্তুষ্ট কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন,

যেগুলো সন্তোষ প্রকাশ করার মতো,

সেগুলোতে সন্তোষ প্রকাশ করি। যেগুলো

লোকে পছন্দ করে না, সেগুলো আমিও পছন্দ

করব না। এটা খুবই স্বাভাবিক। সে ব্যাপারে আমি

তাদেরকে সতর্ক হতে বলি, সাবধান হতে বলি,

তাদেরকে সুনামের ধারায় ফিরে আসতে বলি।

তাদের ভালো খবরের শিরোনাম হতে বলি।

অহরহ বলে যাচ্ছি।

জাতীয় পার্টির বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ

সম্পাদক বলেন, জাতীয় পার্টি নিয়ে নাক গলানোর

বিষয় নেই। জাতীয় পার্টি যাকেই লিডার অব দ্য

অপোজিশন বানাবে, তাকেই আমরা ওয়েলকাম

জানাব। এটা জাতীয় পার্টির অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এটা

তাদের গঠনতন্ত্রের ব্যাপার, এখানে আমাদের

নাক গলানোর বিষয় নেই।

খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া

হচ্ছে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন

অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা বলেছি

লিগ্যাল ম্যাটার ও লিগ্যাল ব্যাটেল করেই সমাধান

করতে হবে। তারা যদি আন্দোলন করে খালেদা

জিয়াকে মুক্ত করতে পারেন, সে ধরনের

আন্দোলন করতে পারেন। তারা ৫০০ লোক

নিয়ে একটি দেড় মিনিট আন্দোলন দেশব্যাপী

করতে পারেননি। এখন তাদের নেতারা এক সুরে

বলছেন, আন্দোলন ছাড়া মুক্তির পথ নেই। তারা

আন্দোলন করুক, আন্দোলন করছে না কেন?

তাদের কে না করেছে? লেট দেম লঞ্চ এ

মুভমেন্ট।

রোহিঙ্গা নিয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা :

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রোহিঙ্গা

বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল

কাদের বলেন, কিছু প্রো-পাকিস্তানি এনজিও, দে

আর ক্রিয়েট ডিসটার্বেন্স, দে আর ইনসাইটিং

ভায়োলেন্স। রিসেন্টলি তারা দোয়া করবে,

আল্লাহর কাছে মোনাজাত করবে- এ কথা বলে

অনুমতি নিয়ে সমাবেশ করেছে। তারা অনেকটা

রাজনৈতিক সমাবেশের দিকে গেছে। এসব নিয়ে

আমাদের একটা কনসার্ন আছে- সেটি আমরা

বলেছি, এক্সপ্রেস করেছি।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চাপ তৈরি

করবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা

আমরা বলছি, তাদের সঙ্গে চায়নার ট্রেড ওয়্যার

চলছে। আমাদের প্রতিনিধি দল চায়না গেছে। চায়নার

মতো বড় শক্তি, মিয়ানমার তাদের বন্ধু দেশ,

সেক্ষেত্রে মিয়ানমারের ওপর প্রেসারটা আরও

বেশি করে প্রয়োগ করুক, সেটা বলেছি। এত

বড় বোঝা নিতে পারছি না। তারাও (যুক্তরাষ্ট্র)

প্রতিনিয়তই মিয়ানমারের ওপর প্রেসার করছে,

যাতে রোহিঙ্গাদের ডিগিনিটি, সেফটি ও

সিটিজেনশিপ নিশ্চিত করে তাদের দেশে ফিরিয়ে

নিয়ে যায়।

এনজিও নিয়ে সরকারের পর্যালোচনা যুক্তরাষ্ট্র

কী দৃষ্টিতে দেখছে জানতে চাইলে ওবায়দুল

কাদের বলেন, তাদের কোনো অভিযোগ

আছে বলে মনে করি না।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

সমুদ্র-দর্শন অথবা প্রেম- আমিনুল ইসলাম

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল