«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

কাঁচা চামড়ার বকেয়া তিন ধাপে পরিশোধ

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯ | ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ | 46 বার

কাঁচা চামড়ার বকেয়া তিন ধাপে পরিশোধ
ফাইল ছবি

কাঁচা চামড়া কেনাবেচা নিয়ে দুই সংগঠনের দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। এতে তিন ধাপে বকেয়া পরিশোধে ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিএইচএসএমএ) ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

আগামী শনিবারের মধ্যে কোন ট্যানারির কাছে কত টাকা পাওয়া যাবে সে তালিকা করা হবে। এ তালিকার পরিপ্রেক্ষিতে কীভাবে বকেয়া পরিশোধ করা হবে তা দুই সংগঠনের নেতারা ঠিক করবেন এবং এর ভিত্তিতে ৩১ আগস্ট আবার এফবিসিসিআইয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে চামড়া খাতের প্রধান দুই সংগঠনের সঙ্গে আড়াই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন এফবিসিসিআই’র শীর্ষ নেতারা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। বৈঠকে ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন ও হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা অংশ নেন।

শেখ ফাহিম বলেন, বকেয়া পরিশোধ একটি চলমান প্রক্রিয়া। তিন ধাপে বকেয়া পরিশোধে কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী ও ট্যানারি মালিকরা একমত হয়েছেন। আগামী শনিবার দুই সংগঠনের নেতারা বসে ঠিক করবেন কোন কোম্পানির কাছে কী পরিমাণ বকেয়া আছে। এরপর সমস্যার সমাধানে আগামী বৃহস্পতিবার আবার বৈঠকে বসবেন তারা। এরপর ৩১ আগস্ট পুনরায় এফবিসিসিআইতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হবে।

তিনি আরও বলেন, ঈদের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে কাঁচা চামড়া মাটিচাপা দেয়া হয়েছে। এ সমস্যা বাংলাদেশব্যাপী সমস্যা নয়, দু’য়েক জায়গায় বিচ্ছিন্নভাবে ঘটেছে। এমন ঘটনা ভবিষ্যতে ঘটুক তা আমরা কেউ চাই না।

শেখ ফাহিম আরও বলেন, চামড়া খাতের নীতিমালার বিষয় আলোচনায় উঠে এসেছে। এরইমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে চামড়ার একটি নীতিমালা করা হচ্ছে। আগামী মন্ত্রিসভায় নীতিমালাটি উপস্থাপন করা হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কাঁচা চামড়া আড়তদারদের সংগঠন হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, বকেয়া নিয়ে বিরোধ একদিনের নয়। ১৯৯০ সাল থেকে এ বকেয়া পড়ে আছে। এখন তিন ধাপে বকেয়া পরিশোধের কথা বলা হচ্ছে।

এর মধ্যে ১৯৯০ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রথম ধাপ, ২০১০ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপ এবং ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তৃতীয় ধাপ। এর মধ্যে ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পুরো বকেয়া টাকা পরিশোধের দাবি জানিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ঈদের আগে ৬ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চামড়ার দাম নির্ধারণ নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে বলা হয়েছিল ঈদের আগের শেষ কার্যদিবসে বকেয়া পরিশোধ করা হবে। মূলত সেখান থেকে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়।

ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, তফসিলি ব্যাংকগুলো প্রতি বছর কোরবানির আগে চামড়া কেনার জন্য ৬৫০ কোটি টাকা ঋণ দেয়। এ টাকা পুনঃতফসিল করে দেয়া হয়। অর্থাৎ যে টাকা পরিশোধ করা হয়েছে সেই টাকা ঋণ দেয়া হয়। এ বছর ১৫০ কোটি টাকা নগদ দেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা আমাদের পরিপূরক। এখন যে সব ট্যানারিতে চামড়া মজুদ আছে সে সব কোম্পানিকে চামড়া কিনতে নতুন করে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থা করতে এফবিসিসিআইকে তিনি অনুরোধ জানান।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

সমুদ্র-দর্শন অথবা প্রেম- আমিনুল ইসলাম

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল