«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

মাষ্টারপাড়া আইডিয়াল স্কুল সন্ত্রাসীদের দখলে মাষ্টার মাইন্ড জুয়েল মাষ্টার

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯ | ১:০৭ পূর্বাহ্ণ | 82 বার

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী জনপদ হযরত শাহ্ কবির (রঃ) এর পবিত্র পূন্যভূমি উত্তরখান থানার মাষ্টারপাড়ায় স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ মরহুম আফজল হোসেন, তাঁর ২ ভাই আওলাদ হোসেন ও আনোয়ার হোসেন এবং আফজল হোসেনের ছোট ছেলে মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহিদসহ মোট ৭ জন ওয়া‌রিশানগণ তা‌দের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত, এলাকার নামকরা বিদ্যাপিঠ মাষ্টারপাড়া আইডিয়াল স্কুলটি গত ২১ অক্টোবর ২০১৮ সকালে কতিপয় শিক্ষিত সন্ত্রাসী বর্তমান বহুবিত‌র্কিত প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে দখল নিয়ে সন্ত্রাসী লু‌টেরা স্কুলে রামরাজত্ব কায়েম করেছে বলে কতক ছাত্র/ছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীসহ স্কুলের প্রকৃত মালিকদের সংখ্যাগরিষ্ঠের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি সামাজিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এক সকালবেলা জবর দখলে নেয়া সফল সন্ত্রাস সেনাপতি সেই রকম শেয়ান স্বাথর্পর প্রধান শিক্ষক মোঃ ফেরদৌস আহমেদ ওরফে জুয়েল ওরফে জুয়েল ছেলে ফুয়েল খায় ব‌লে জানা যায়।

তদ‌ন্ত সূত্র জানায়, নগদ লক্ষলক্ষ টাকার লোভ সামলাতে না পেরে প্রকৌশলি ফেরদৌস আহমেদ জুয়েল বনানীস্থ আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটির আইটি বিষয়ক প্রভাষকের চাকুরি ছেড়ে দিয়ে তার অপর দুইবোনকে সাথে নিয়ে তার মা জননী, ১ ভাই ও ২ চাচাসহ তাদের পরিবারকে সকল সুবিধা থেকে চিরবঞ্চিত করে স্কুলের যৌথ বা এজমালি সম্পদ ও সম্পত্তি এককভাবে বল প্রয়োগে ভোগ দখলে আছেন ঐ জুয়েল আতংক। একটি হাইস্কুল প্রধান শিক্ষকের মাসিক বেতন কত? প্রত্যক্ষ ও প‌রোক্ষভা‌বে জুয়েল স্কুল থেকে বেতনসহ নানা‌বিধ সু‌বিধাস‌মেত লু‌টে নিচ্ছেন মা‌সিক ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। তবে জুয়েল এআইইউবি’র সমান প্র‌তিমাসে ৫৩ হাজার টাকা বেতন নিচ্ছেন বলে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন যা সরকারী বা বেসরকারী হাইস্কুলম‌তে এক নজীরবিহীন বিরল ঘটনা বাংলাদেশে। প্রসঙ্গক্রমে জুয়েল বলেন, এখানে ৮ হাজার টাকার বেশি কোন শিক্ষকের বেতন নাই। আমি বড় চাকুরি ফেলে এসে আমার যোগ্যতার ন্যায্যমূল্য নিচ্ছি অসুবিধা কোথায়? আমি ওখা‌নে যা বেতন পেতাম ৫৩ হাজার এখা‌নেও তাই নেই, এক টাকাও বে‌শি নেই না। ত‌বে আগামী জানুয়ারী‌তে আমার বেতন হাজার পাঁ‌চেক টাকা বাড়‌বে। আমার বাবার স্কুল আমরাই মালিক, আমিই সব‌কিছু। এখানে বেয়াদব ছোটভাই ও চাচাদের কোন ঘটকালির সুযোগ নাই।

সরেজমিন তথ্য সংগ্রহকা‌লে জানা যায়, যারা ২০০৬ থেকে তিল তিল করে স্কুল‌টি গড়েছেন, তারা ১১০০+ ছাত্র/ছাত্রীর স্কুলটিকে এমন অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তারা সমাজের নিরীহ সহজ সরল ভাল মানুষ, তারাই জুয়েল আতংকে নানামুখী হামলা, মামলা ও হুমকি ধমকিতে রীতিমত কোনঠাসা আছেন। জুয়েল এখন স্কুলের মা’বাবা তাই সে অতি বেপরোয়া স্বেচ্ছাচারী। স্কুলের গোপন কক্ষে দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঠা, রড ও স্টীল পাইপ সবসময় মজুদ থাকে। জুয়েলের পালিত ও মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী প্রকৃতির নামধারী শিক্ষকদের লেলিয়ে দিয়ে পাশাপাশি স্কুলের কোমলমতি ছাত্রদের ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র তুলে দিয়ে গত ১৭ জুলাই ২০১৯ সকালে স্কুল ক্যাম্পাসে এক ন্যাক্কারজনক ধারাবা‌হিক নাটকীয় হামলা ও হামলার মহড়া চালান জুয়েল গং যার অসৎ উদ্দেশ্য ছিল সস্তায় প্রিন্ট ও টিভি মিডিয়ার কাভারেজ পাওয়া। হিংস্র প্রকৃতির প্রধান শিক্ষক জুয়েল এর পৃষ্ঠপোষকতায় গত ১৮ জুলাই ২০১৯ ছাত্র/ছাত্রীদের নিয়ে স্কুলের সামনে একটি সাজা‌নো বা‌নোয়াট প্রতিবাদ এবঙ মানব বন্ধন করা হয়। এ বিষয়ে জুয়েল বলেন, মানব বন্ধনে কমবেশি কিছু টাকা খরচ হবেই। থানায় আমার মামলা বা জিডি নেয়না। কারো প্রতি আমার আস্থা নাই। কো‌র্টে মামলা দিয়েছি। তারা কেউ গ্রেপ্তার হচ্ছেনা। থানা ওদের মামলা আমলে নিয়েছে। আমি জামিন না পেয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। তবে স্কুলের আশেপাশে ওদের পেলে এবার কাউকে ছাড়বোনা, হয় মারবো নয়তো মরবো। মনে রাখবেন, উত্তরখান থানা পুলিশের সহায়তায় স্কুলে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। সূতরাং থানা আওলাদ গংদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিবেনা এটাই স্বাভাবিক। তবে থানা সূত্র বলছে, সেদিনের ঘটনায় সন্ত্রাসি জুয়েলদের বিরুদ্ধ আওলাদ হোসেন গং লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। স্কুলের বিষয়ে তাদের পারিবারিক নানা দ্বিধাদ্বন্দ্ব আছে সত্য। জানা যায়, স্কুলের টাকায় জুয়েল নিয়মিত ফুয়েল দিয়ে সচল রাখেন তার পোষ্য সন্ত্রাসীদের।

এদিকে ২০০৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়ের রুলস এন্ড রেজুলেশন বহি, ট্রেড লাইসেন্স, বিদ্যুৎ বিল ও স্কুলের দাওয়াত কাড অনুযায়ী আফজল স্যারের মৃত্যুর পর তাঁর স্থলাভিসিক্ত হন জুয়েলদের চাচা মোঃ আওলাদ হোসেন। ২০ অক্টবর ২০১৮ তারিখ যাবৎ স্কুলের সভাপতির গুরু দ্বায়িত্ব পালন করেন আওলাদ হোসেন। তারপর পা‌লিত সন্ত্রাসীরা জু‌য়ে‌লের নেতৃ‌ত্বে প্রায় ৩০টি মোটর বাইক নিয়ে মহড়া দেয় এবঙ ২১ আগষ্ট ২০১৮ তরিখেই হয় সেই পূবর্পরিকল্পিত স্কুল ডাকাতি লুটপাট ও দখল জবরদখল । দুই চাচা ও ছোটভাই‌কে শুধু স্কুল থেকে বিতাড়িত করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি জুয়েল। সে তার স্ত্রীকে বাদী করে মিথ্যা মামলা ও জিডিতে আওলাদ গংদের রেখেছে হামেশা দৌঁড়ের ওপরে যা ভিকটিমদের জবানে জানাগেছে। শারীরিক মানসিক ও অথর্নৈতিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত আওলাদ হোসেন বলেন, স্কুলে ও বাড়িতে আমরা বেশ কয়েকবার জুয়েলের নেতৃত্বে জুয়েল বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছি। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা চলমান। জুয়েল কোং এর হামলা, মামলা ও হুমকি ধমকির ভয়ে আমরা সবাই চরম আতংকগ্রস্ত। আমরা আইন মান্যকারী আর জুয়েলসহ ক‌তিপয় শিক্ষকবৃন্দ যারা আসা‌মি তারা ও জু‌য়ে‌লের বোনেরা আইন অমান্যকারি। তারা নানা বিশৃঙ্খলা ও বিভেদ সৃষ্টিকারী। জুয়েলের মত সন্ত্রাসী দানবের কবল থেকে স্কুলটি দখলমুক্ত করা হোক। স্কুলের হারানো ঐতিহ্য ফিরে আসুক আবারও প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠুক সামগ্রিক শিক্ষা পরিবেশ এটাই আমার ও এলাকাবাসীর চাওয়া।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

সমুদ্র-দর্শন অথবা প্রেম- আমিনুল ইসলাম

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল