«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

দৌলতদিয়ায় ৭ কিলোমিটার যানজট: নৌরুটেও কর্মস্থলমুখী মানুষের প্রচণ্ড চাপ

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯ | ৯:২০ পূর্বাহ্ণ | 36 বার

দৌলতদিয়ায় ৭ কিলোমিটার যানজট: নৌরুটেও কর্মস্থলমুখী মানুষের প্রচণ্ড চাপ
ছবি-সংগৃহীত

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ শেষে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার কর্মব্যস্ত মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। শুক্রবার দুপুর থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে কর্মমুখী মানুষের ঢল নামে।

ফেরি ঘাট থেকে গোয়ালন্দ পৌরসভা পর্যন্ত সাত কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এদিকে, কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে কর্মস্থলমুখী মানুষের ভিড় বাড়ছে। বাড়তি ভাড়া আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে। এ সম্পর্কে প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) : দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় গাড়ির চাপ প্রচণ্ড বেড়েছে। নদীপারের অপেক্ষায় থাকা বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারের সারি দুপুরের পর থেকে দীর্ঘ হতে থাকে। এ সময় ইউটিলিটি ফেরি কুসুম-কলি বিকল হয়ে পড়ে। সেটিকে পাটুরিয়ার ভাসমান কারখানায় পাঠানো হয়েছে। বিকাল নাগাদ দৌলতদিয়ায় ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের গোয়ালন্দ পৌরসভা পর্যন্ত সাত কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এতে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন।

অপরদিকে দৌলতদিয়া বাইপাস সড়কের এক কিলোমিটারজুড়ে নদী পারের অপেক্ষায় প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস আটকে থাকে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের সারি লম্বা হয়। এছাড়া মহাসড়কের ছয় কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দ পৌরসভার পদ্মার মোড় এলাকা থেকে ব্যক্তিগত গাড়িগুলো বিকল্প সড়ক দিয়ে ঘাটে পাঠাচ্ছে পুলিশ। এতে অন্তত আট কিলোমিটার ঘুরে সেগুলোকে ঘাটে যেতে হচ্ছে । গ্রামের সরু সড়ক দিয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে পৌঁছাতে এসব গাড়ি চরম ভোগান্তিতে পড়ছে।

দৌলতদিয়া ঘাটে বিআইডব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আবদুল্লাহ রনি জানান, ঈদের ছুটি শেষে কর্মব্যস্ত মানুষ রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন। দুপুর পর্যন্ত যানবাহনগুলো অপেক্ষা ছাড়াই সরাসরি ফেরিতে উঠতে পারলেও পরে চিত্র পাল্টে যায়।

দুপুরের পর থেকে স্রোতের মতো বিপুলসংখ্যক যানবাহন নদী পার হতে আসায় মহাসড়কে দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৯টি ফেরি চলাচল করছে। বিকল ফেরিটি অল্প সময়ের মধ্যে চলাচল শুরু করবে বলে তিনি জানান।

মাদারীপুর ও শিবচর : কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুট হয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। শুক্রবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ নৌরুটে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে। লঞ্চগুলোতেও ভিড় রয়েছে।

ফেরিতে যানবাহনের চাপ সহনীয় থাকলেও যাত্রী চাপ বেশি। দক্ষিণাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি যানবাহন ও কাঁঠালবাড়ী থেকে ছেড়ে যাওয়া স্পিডবোট ও লঞ্চগুলোতে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেন যাত্রীরা। ঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ, পুলিশ, র্যাবসহ বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে।

বরিশাল, খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে যানবাহনে যাত্রীরা কাঁঠালবাড়ী ঘাটে আসছেন। তবে ঘাট পর্যন্ত আসতে তাদের গুনতে হচ্ছে দেড় থেকে দ্বিগুণ ভাড়া। স্পিডবোট ও কিছু লঞ্চেও বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরি, ৮৭টি লঞ্চ ও দুই শতাধিক স্পিডবোট চলাচল করে।

বরিশাল থেকে আসা মাইক্রোবাস যাত্রী সাইফুল ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে আসার সময় কাঁঠালবাড়ী ঘাটে ২০০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা নিয়েছে। এখন সড়ক পথে ঢাকা যাওয়ার পথে ভাড়া গুনতে হচ্ছে ডাবল। এছাড়া দূরপাল্লার প্রতিটি পরিবহনের কন্ট্রাকটর দ্বিগুণ ভাড়া নিচ্ছেন। স্পিডবোটে দেড়শ’ টাকার ভাড়া নিচ্ছে ২০০ টাকা।

কাঁঠালবাড়ী ঘাটের বিআইডব্লিউটিএর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. আক্তার হোসেন জানান, লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ী ঘাট ব্যবস্থাপক আবদুস সালাম মিয়া জানান, আবহাওয়া শান্ত থাকায় সকাল থেকে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

সমুদ্র-দর্শন অথবা প্রেম- আমিনুল ইসলাম

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল