«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

বেড়েছে মসলার দাম সবজির বাজারও চড়া

শনিবার, ২৭ জুলাই ২০১৯ | ৬:২২ পূর্বাহ্ণ | 138 বার

বেড়েছে মসলার দাম সবজির বাজারও চড়া

এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মসলার দাম। না বাড়লেও দুই সপ্তাহ ধরে চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজির দাম। মাছের দামেও সন্তুষ্ট হতে পারছে না ক্রেতা।

তবে চাল, ডাল, ভোজ্য তেল ও মাংসের দাম স্থিতিশীল। শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও রামপুরা কাঁচাবাজার ঘুরে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

গত সপ্তাহে দারুচিনির কেজি ৩৫০-৪০০ টাকা বিক্রি হলেও শুক্রবার ছিল ৪০০-৪৫০ টাকা। এলাচ বিক্রি হয়েছে কেজি ২৫০০-৩০০০ টাকায়, দুই সপ্তাহ আগে ছিল ২৪০০-২৮০০ টাকা।

দেশি রসুন বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকায়, গত সপ্তাহে ছিল ১৩০-১৪০ টাকা। চীনা রসুন ১৬০-১৮০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে কেজিতে ৫ টাকা কমলেও স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয়েছে ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে।

কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা মো. দেলোয়ার যুগান্তরকে বলেন, ঈদ সামনে রেখে মসলার চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম থাকায় বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

অন্যদিকে দুই সপ্তাহ ধরেই সবজির দাম নিয়ে অসন্তুষ্ট ক্রেতা। নতুন করে দাম না বাড়লেও শুক্রবার চড়া দামে বিক্রি হয়েছে সব ধরনের সবজি।

শুক্রবার পাকা টমেটো কেজিতে ১৩০-১৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৮০-২০০ টাকা, গাজর ৮০-১০০, করলা ৭০-৮০, ঝিঙ্গে ও ঢেঁড়স ৫০-৬০, পটোল ৪৫-৫০ এবং বেগুন ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

রাজধানীর নয়াবাজারের সবজি বিক্রেতা মো. সুমন বলেন, বন্যায় সবজি নষ্ট হয়েছে। বাজারে সবজির সরবরাহও কম। তাই দাম বেশি।

এদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধরা পড়ছে ইলিশ। রাজধানীর বাজারেও আসতে শুরু করেছে। তবে দাম অনেকটা আগের মতোই। রাজধানীর খুচরা বাজারে ৪০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছিল ৪৫০-৫০০ টাকায়। ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৮০০-৮৫০ টাকা, আর ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলশ বিক্রি হচ্ছিল ১১০০-১২০০ টাকায়।

কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা সামীম বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ইলিশ আসতে শুরু করেছে। তবে এখনও সরবরাহ কম। সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে। এছাড়া প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৪০-১৫০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-১৬০, চাষের রুই ৩৫০-৪০০, পাবদা ৬০০-৭০০, টেংরা ৬০০-৭০০, শিং ৪০০-৫৫০, বোয়াল ৫০০-৭০০, চিড়িং ৬০০-৮০০ এবং চিতল মাছ ৫০০-৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৩৫-১৪০ টাকা, লাল লেয়ার মুরগি ২২০-২৩০ টাকা, পাকিস্তানি কক ২২০-২৫০ টাকা কেজি, গরুর মাংস ৫৫০-৫৭০ টাকা, খাসির মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

নয়াবাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা মমিনুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, বাজারে সব ধরনের পণ্যের দাম চড়া। সবজিতে হাত দেয়া যাচ্ছে না। নতুন করে কোরবানির ঈদকে ঘিরে বাড়তে শুরু করেছে মসলার দাম। দেখার যেন কেউ নেই। যে যেভাবে পারছে পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

বিরলে ৮নং-ধর্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি-আঃ মজিদ সম্পাদক-রতন চন্দ্র রায় নির্বাচিত

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল