«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বরিস জনসন

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯ | ৫:০৫ পূর্বাহ্ণ | 76 বার

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বরিস জনসন

ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যরা তাদের নতুন নেতা হিসেবে বরিস জনসনকে বেছে নিয়েছেন। এর ফলে তেরেসা মে’র পদত্যাগের পর তিনিই হতে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী।

দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ব্রিটেনের ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার (ব্রেক্সিট) প্রক্রিয়ার সমাধান করতে হবে বরিসকে।

বিবিসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে প্রকাশ করা ফলাফলে দেখা গেছে, পার্টির সদস্যদের ৯২ হাজার ১৫৩টি ভোট পেয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জেরেমি হান্ট পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট। দলের প্রধান নির্বাচন করতে গত সোমবার বিকাল পর্যন্ত ভোট দেন কনজারভেটিভ পার্টির ১ লাখ ৬০ হাজার নিবন্ধিত সমর্থক। ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করে আজ বুধবার বিকালে আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র দেবেন তেরেসা মে। এর পরপরই তার উত্তরসূরি বরিস বাকিংহাম প্যালেস ঘুরে এসে আসীন হবেন প্রধানমন্ত্রীর পদে।

ব্রেক্সিটের জটিল অঙ্ক মেলাতে তিন মাস সময় পাবেন লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস। এক বছর আগে ব্র্রেক্সিট বাস্তবায়নে মে’র পরিকল্পনার সঙ্গে একমত হতে না পারায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন বরিস।

২০১৬ সালের ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে এক গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে দেশটির চার দশকের সম্পর্কছেদের রায় হয়। ভোটে হারের পর রক্ষণশীল দলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন পদত্যাগ করলে তেরেসা মে সেই দায়িত্ব নিয়ে বিচ্ছিন্নতার পথরেখা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেন।

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক এ জোট থেকে কোন প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য আলাদা হবে এবং এরপর ইইউভুক্ত বাকি ২৭টি রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক কেমন হবে, সেই পথ বের করার জন্য ২১ মাস সময় পেয়েছিলেন মে।

কিন্তু তার পরিকল্পনা দেশটির পার্লামেন্টে পাস হওয়ায় ব্রেক্সিটের সময়সীমা বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর ঠিক করা হয়। এর মধ্যে নিজ দলে বিদ্রোহের মুখে গত ৭ জুন নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিতে বাধ্য হন মে।

২০২২ সাল পর্যন্ত এ সরকারের মেয়াদ রয়েছে। ওই মেয়াদের বাকি সময়ের জন্য ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার পর বরিসকে এখন ইইউর সঙ্গে আলোচনা করে বিচ্ছেদের হিসাব চূড়ান্ত করতে হবে। তিনি ব্যর্থ হলে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় পড়তে হবে যুক্তরাজ্যকে।

 

ও/আ

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

বিরলে ৮নং-ধর্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি-আঃ মজিদ সম্পাদক-রতন চন্দ্র রায় নির্বাচিত

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল