«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

আর্থিক খাতে বড় সংস্কারের ঘোষণা

ঋণের সুদহার এক অঙ্কের বেশি দেখতে চাই না: অর্থমন্ত্রী

শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯ | ৫:৫৮ পূর্বাহ্ণ | 36 বার

ঋণের সুদহার এক অঙ্কের বেশি দেখতে চাই না: অর্থমন্ত্রী

আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আর্থিক খাত সংস্কারে কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এর আওতায় ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা হবে। প্রয়োজনে এক ব্যাংক অন্য ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করা হবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আগে আর্থিক খাতে সুনির্দিষ্টভাবে ব্যাপকভিত্তিক কোনো সংস্কার শুরু হয়নি। আমরা এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছি। এগুলো সামনে এগিয়ে নেয়া হবে।

বাজেটে আর্থিক খাতের ৬ দফা সংস্কার কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশের শিল্প ও ব্যবসা খাতকে প্রতিযোগিতায় সক্ষম করতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার এক অঙ্কের ওপরে দেখতে চাই না। এ লক্ষ্যে তারা কাজ শুরু করেছেন। প্রয়োজনে ব্যাংক একীভূতকরণ করা হবে। প্রয়োজন হলে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হবে। যেসব ঋণ গ্রহীতা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে খেলাপি হয়েছেন বা ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। হোল্ডিং কোম্পানি ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমে সমন্বয় ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করা হবে।

ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে রাজস্ব ব্যবস্থাপনার অঙ্গগুলো যথা- ভ্যাট, কাস্টমস ও আয়কর সংক্রান্ত আইনসহ অন্যান্য আইনের সঙ্গে ব্যাংক কোম্পানি আইনে কোনো কিছু সাংঘর্ষিক না থাকে সেজন্য আইনটি (ব্যাংক কোম্পানি আইন) সংস্কার আনা হবে। পর্যায়ক্রমে ব্যাংকগুলো অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ বাড়ানো হবে।

বাজেটে বলা হয়, আর্থিক খাতে আগে বিশেষ কোনো উপকর ছিল না। তাই ব্যাংকগুলো স্বল্পমেয়াদি আমানত সংগ্রহ করে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বিতরণে বাধ্য হতো। এতে ব্যাংকিং খাতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। এটি কখনও কখনও সংকট সৃষ্টি করে থাকে। এ জাতীয় ভারসাম্যহীনতা দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। একটি গতিশীল বন্ড মার্কেট তৈরি করতে বিভিন্ন ধরনের বন্ড ছাড়াকে উৎসাহিত করা হবে।

ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নিয়ে কেউ শোধ করতে ব্যর্থ হলে তার জন্য এ থেকে বের হওয়ার কোনো আইনি প্রক্রিয়া ছিল না। এখন আইন সংশোধন করে এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এছাড়া নতুন একটি বিধি করে এই ধরনের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক খাত সংস্কারের বিষয়ে এতদিন ব্যাংক কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা শুনে আসছি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে পরবর্তীকালে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।

উল্লেখ্য, এর আগে ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার কথা সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে বলা হয়েছে। ব্যাংকের পরিচালক ও এমডিরা এ ব্যাপারে অঙ্গীকারও করেছিলেন। কিন্তু সুদের হার কমেনি। বরং আরও বেড়েছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচ বেড়ে গেছে।

 

ও/আ

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ-

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল