«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

রাজশাহীতে কয়েকটি আবাসিক হোটেলে রমজান মাসেও চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

বুধবার, ১৫ মে ২০১৯ | ১১:৪১ অপরাহ্ণ | 188 বার

রাজশাহীতে কয়েকটি আবাসিক হোটেলে রমজান মাসেও চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

 

 

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় সংযমের মাস রমজান মাস। আর এই রমজান মাসের সম্পূর্ণ পবিত্রতা ভেঙ্গে প্রকাশ্যেই রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। বরং ঈদকে সামনে রেখে তাদের হোটেল নামের মিনি পতিতালয় গুলোকে আরো সাজিয়ে-গুছিয়ে তোলা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে চলতি রমজান ও আগামী ঈদকে সামনে রেখে একটি কুচক্রিমহল মরিয়া হয়ে উঠেছে দুর-দুরাঞ্চল মানুষদের হয়রানী ও সর্বশান্ত করার লক্ষ্যে। এরা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের রিতীমত হোটেলে ব্লাকমেইল করে এবং ভিডিও তৈরি করে অনবরত তাদের হুমকি দেয়, এবং হাতিয়ে নেয় বেশ মোটা অঙ্কের টাকা। একাধিক অভিযোগ রয়েছে অন্যান্য হোটেল গুলোর বিরুদ্ধেও। যদিও রমাজান মাসকে কেন্দ্র করে সব জায়গাতেই জোড়দার করা হয়েছে নিরাপত্তা এবং নিষিদ্ধ করা হয়েছে সাময়িকভাবে পতিতাবৃত্তিকে। তার পরও এ ধরনের দালাল ও হোটেল মালিকদের সাথে পেরে উঠতে যেন হিমসিম খাচ্ছে প্রশাসন।

জানা যায়, রাজশাহী মহানগরীতে পুরাতন মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সামনে আবাসিক হোটেল যমুনা, স্বর্ণকার পট্টি এলাকায় আবাসিক হোটেল ময়েম, সাহেববাজার মুড়ি পট্টি এলাকায় হোটেল সোনালি, সাহেববাজার বড়মসজিদের পেছনে হোটেল সুর্যমূখী, গনকপাড়া এলাকায় হোটেল আশ্রয়সহ প্রায় অর্ধ ডজন আবাসিক হোটেলে চলে জমজমাট এ ব্যবসা। তবে এই রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষায় এক মাসের জন্য এমন ব্যবসা বন্ধ রেখেছে সাহেবাজার বড়মসজিদের পেছনে হোটেল সুর্যমূখী।

খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে, এর আগে এসব হোটেল মালিক/ম্যানেজারকে মানবপাচার মামলা দেয়ার পর কিছুদিন তাদের ব্যবসা বন্ধ করলেও কয়েক মাস থেকে আবার চালু করা হয়েছে এ সকল আবাসিক হোটেল নামক মিনি পতিতালয় গুলো। এসকল আবাসিক হোটেলে অবাধ যৌন ব্যবসার পাশাপাশি অনেক স্থানেই লেনদেন হয় মাদকদ্রব্য। এলাকাবাসীর অনুরোধ ও প্রশাসনের উদ্যোগে কয়েক মাস আগে যৌন ব্যবসায় জড়িত এসব হোটেলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে খদ্দেরসহ যৌনকর্মীদের আটক করে সাজা দেয়া হয়েছে। হোটেলগুলো কিছুদিন বন্ধ থাকার পর রহস্যজনক কারণে আবারো সেগুলো জমজমাট হয়ে ওঠেছে।

নগরীর মানুষদের শুধু একটাই চাওয়া এধরনের ব্যবসা ও হয়রানী সম্পূর্ণ বন্ধ করা না গেলেও অন্তত্য রমজান মাসকে কেন্দ্র করে একমাস যেন এধরনের ব্যবসা নিয়ন্ত্রনে থাকে। এব্যপারে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ আশা করে সুশীল সমাজ।

প্রশাসনের নজরকে ফাঁকি দিয়ে কি ভাবে রমজান মাসের পবিত্রতা ভেঙ্গে প্রকাশ্যেই এসকল আবাসিক হোটেল মালিকগন জমজমাট ভাবে এ ব্যবসা পরিচালনা করছেন জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর পুলিশের বোয়ালিয় জোনের উপ-কমিশনার আমির জাফর জানান, শুধু রমজান মাস নয় আমরা প্রতিনিয়ত এসকল হোটেলে অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের অভিযান অব্যহত রেখেছি। মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আরএমপি পুলিশ সর্বাত্মক কাজ করে চলেছে। সুধু রমজান মাস বলেই নয় এদের বিরুদ্ধে আমরা নিতিগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

জাকির নায়েকের বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হতে পারে: মাহাথির

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল