«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

৬ ঘণ্টায় ২০ লাখ সিম বন্ধ হচ্ছে

শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯ | ১:৪২ অপরাহ্ণ | 118 বার

৬ ঘণ্টায় ২০ লাখ সিম বন্ধ হচ্ছে

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে

একজন গ্রাহকের নিবন্ধিত ১৫টির অতিরিক্ত সিম

নিষ্ক্রিয়করণ শুরু হয়েছে।

এ প্রক্রিয়ায় ৬ ঘণ্টায় চারটি মোবাইল ফোন

অপারেটরের ২০ লাখ ৫০ হাজার সিম নিষ্ক্রিয় করা

হচ্ছে। বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো.

জাকির হোসেন খান বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত

১২টা থেকে শুক্রবার ভোর ৬টার মধ্যে একটি

এনআইডির বিপরীতে যাদের অতিরিক্ত সিম আছে

সেগুলো নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। এতে ৬ ঘণ্টায়

নিষ্ক্রিয় হবে সাড়ে ২০ লাখ সিম। তবে কর্পোরেট

গ্রাহকের ক্ষেত্রে অনুমোদিত ব্যক্তি এ

প্রক্রিয়ার আওতামুক্ত থাকবেন।

জাকির হোসেন জানান, এর মধ্যে

গ্রামীণফোনের ৪ লাখ ৬১ হাজার ২৬১, বাংলালিংকের

৪ লাখ ৫৫ হাজার ৮৩১, রবির ৪ লাখ ১৯ হাজার ২০২,

এয়ারটেলের ২ লাখ ২৫ হাজার ৭৪১ এবং টেলিটকের

৪ লাখ ৮৭ হাজার ৮৯২টি সিম রয়েছে। এ বিষয়ে

বিটিআরসি প্রধান জহুরুল হক বলেন, এ প্রচেষ্টা

নিরাপদে মোবাইল সিম ব্যবহারে আরও গ্রাহকবান্ধব

হবে এবং এ খাত অধিকতর সুশৃঙ্খল হবে। আশা করছি,

এর ফলে জনসাধারণ নির্বিঘ্নে উন্নত

টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন

‘অ্যামটব’ এক ই-মেইলে বলেছে, গ্রাহকদের

অসুবিধার কথা তুলে ধরে বিটিআরসির কাছে সময়

বাড়ানোর আবেদন করেছি। কেননা অনেক সিম

অনলাইন বা আর্থিক কাজে ব্যবহৃত হয়। আশা করি,

গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা

আমাদের আবেদনে সাড়া দেবে। ২০১৬ সালের

২০ জুন গ্রাহকপ্রতি সর্বোচ্চ ২০টি সিম রাখার সীমা

বেঁধে দেয় বিটিআরসি। তা আরও কমিয়ে ২০১৭

সালের আগস্টে সর্বোচ্চ পাঁচটি সিম রাখার অনুমতি

দেয়া হয়। এরপর ওই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে

২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর গ্রাহকপ্রতি সর্বোচ্চ

১৫টি সিম রাখার সুযোগ দেয়া হয়। কোনো

গ্রাহকের পাসপোর্ট, এনআইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা

জন্ম নিবন্ধন সনদের বিপরীতে কতটি সিম

রয়েছে তা দুটি পদ্ধতিতে জানা যাবে।

>> গ্রাহক *১৬০০১# নম্বরে ডায়াল করলে

ইউএসএসডি কোডে তার কাছে এনআইডির শেষ

চার ডিজিট জানতে চাওয়া হবে।

তা লিখে সেন্ড করলে ফিরতি এসএমএসে জানিয়ে

দেয়া হবে তার নামে থাকা সিমের সংখ্যা।

>> এনআইডি নম্বরের শেষ চার ডিজিট লিখে ১৬০০১

নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে

ওই এনআইডির বিপরীতে সিম সংখ্যা জানতে

পারবেন গ্রাহক।

বিটিআরসি বলেছে, কর্পোরেট গ্রাহকের

ক্ষেত্রে সিম সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়া

বাস্তবসম্মত নয়। তাই কোনো প্রতিষ্ঠানের

পক্ষে সিম বা রিম কেনার জন্য অনুমোদিত ব্যক্তি

এ সীমার আওতামুক্ত থাকবেন। বিটিআরসির

সর্বশেষ মার্চের হিসাবে মোট ১৫ কোটি ৯৭ লাখ

৮০ হাজার সিমের মধ্যে গ্রামীণফোনের ৭

কোটি ৪০ লাখ ৫৩ হাজার, রবির ৪ কোটি ৭৩ লাখ ৪১

হাজার, বাংলালিংকের ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৭২ হাজার এবং

টেলিটকের ৪০ লাখ ১৪ হাজার গ্রাহক রয়েছে।

বিটিআরসির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান,

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের পর সব

গ্রাহকের তথ্য বিটিআরসির কাছে রক্ষিত আছে।

কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে,

কার কাছে কতটি সিম রয়েছে। তথ্য প্রক্রিয়া করে

অপারেটরদের এসব নম্বর দেয়া হয়েছে এবং

অপারেটররা গ্রাহকের সঙ্গে অতিরিক্ত সিম

বন্ধের বিষয়ে ফোন দিয়ে জানিয়েছে।

অপারেটরদের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে

কথা বলে জানা যায়, কোনো গ্রাহকের যদি ১৫টির

বেশি সিম থাকে তাহলে তার নামে নিবন্ধিত

সবচেয়ে পুরনো সিমগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।

সম্প্রতি যে সিমগুলো তার নামে রয়েছে তা সচল

থাকবে।

 

ও/আ

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

বিরলে ৮নং-ধর্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি-আঃ মজিদ সম্পাদক-রতন চন্দ্র রায় নির্বাচিত

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল