«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

বড়জোর ১০ কোটি বছর নিশ্চিহ্ন হবে শনির বলয়

শনিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ | 23 বার

বড়জোর ১০ কোটি বছর নিশ্চিহ্ন হবে শনির বলয়

জন্মের সময় সে আর ৮টার মতোই ছিল

একেবারে সাদামাটা! অতি সাধারণ। তার ‘রূপ’

খুলেছিল প্রায় মাঝ বয়সে পৌঁছে! সেই

গ্ল্যামারে চোখ ধাঁধিয়ে যেত সবার। কিন্তু

পোড়া কপাল! সেই ‘রূপ’ আর তার কপালে

সইবে না বেশিদিন। দ্রুত গ্ল্যামার হারাচ্ছে

আমাদের সৌরম-লের ষষ্ঠ গ্রহÑ শনি। তাকে

ঘিরে থাকা অবাক করা একের পর এক বলয় (রিং)

খুব দ্রুত ক্ষয়ে যাচ্ছে। বলয়ে জমে থাকা

বরফ অতিদ্রুত হারে ঝরে পড়ছে শনির গায়ে।

পিঠে। বলয় আর শনির মধ্যে থাকা মহাকাশে। হ্যাঁ,

আমাদের সৌরম-লের সবচেয়ে ‘হ্যান্ডসাম’

গ্রহ শনি এভাবেই তার সব সৌন্দর্য হারিয়ে

ফেলছে।

‘ক্যাসিনি’ মহাকাশযানের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ

করে এ কথা জানতে পেরেছে

মেরিল্যান্ডে নাসার গর্ডার্ড স্পেস

সেন্টারের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জেমস

ও’দোনাঘুর নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক

গবেষক দল। তাদের গবেষণাপত্রটি

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান জার্নাল ‘আইকারাস’ এ

প্রকাশিত হয়েছে সোমবার। গবেষকরা ক্যাসিনি

মহাকাশযানের পাঠানো তথ্য খতিয়ে দেখে

জানতে পেরেছেন, আর বড়জোর ১০

কোটি বছর। এরপর আর একটিও বলয় থাকবে না

শনির। তা হয়ে পড়বে একেবারেই

গ্ল্যামারহীন!

গবেষক দলের অন্যতম সদস্য প্রিন্সটন

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এসআর রামানুজন ই-

মেইলে জানিয়েছেন, আমাদের সৌরম-ল

ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে এক দশক

আগেই শনির ‘পাড়া’র গাঘেঁষে দৌড়ানোর সময়

নাসার দুটি মহাকাশযান ‘ভয়েজার-১’ ও ‘ভয়েজার-২’

এর ‘নাকে’ও লেগেছিল শনির গ্ল্যামার

হারানোর ‘গন্ধ’। কিন্তু তারা ভাবতেও পারেনি

শনির কপাল পুড়বে এত তাড়াতাড়ি! ভয়েজার-১ এবং

ভয়েজার-২ জানিয়েছিল, শনির বলয় ক্ষয়ে

যাচ্ছে। তবে ৩০ কোটি বছর আগে তা

উদ্বেগজনকভাবে ক্ষয়ে যাবে না। ততদিন

অটুট থাকবে শনির গর্বের গ্ল্যামার।

রামানুজন বলেছেন, “ক্যাসিনি মহাকাশযান শনির

বিষুব রেখার ওপরে যেভাবে তার একের পর

এক বলয় থেকে জমা বরফ হু হু করে ছিটকে

বেরিয়ে আসতে দেখেছে, তাকে এক

রকম বরফের বৃষ্টিই (রিং রেন) বলা যায়। আর

সেই বৃষ্টি এতটাই ‘ঝমঝমিয়ে’ পড়ে চলেছে,

যে দুটি ‘ভয়েজার’ মহাকাশযানের পাঠানো তথ্য

থেকে যে হিসাব কষা হয়েছিল, তা ওলট-পালট

হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে, আর বড়জোর

১০ কোটি বছর। এরপর আর কোনো বলয়ই

থাকবে না শনির। তার আগেও পুরোপুরি

গ্ল্যামারহীন হয়ে পড়তে পারে শনি।”

সূত্র :আনন্দবাজার পত্রিকা

ও/আ

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

গভীর রাতে রাজশাহীর ৪৩ হজযাত্রীকে নিয়ে গেল বিমান

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল