«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

রহনপুরে মনোনয়ন বঞ্চিত আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের মানববন্ধন প্রসঙ্গে কিছু কথা

মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৮ | ৯:৪৭ অপরাহ্ণ | 255 বার

রহনপুরে মনোনয়ন বঞ্চিত আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের মানববন্ধন প্রসঙ্গে কিছু কথা

ওয়াসিম আল-রাজি—

২৫/১১/২০১৮ ইং তারিখ রবিবার চাপাই নবাবগঞ্জ রহনপুর থেকে প্রকাশিত অনলাইন পত্রিকা “রহনপুর বার্তা”য়  প্রকাশিত,চাপাইনবাবগঞ্জ-২ গোমস্তাপুরে মনোনয়ন বঞ্চিত আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের মানববন্ধন শিরোনামের সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হইয়াছে মর্মে প্রশ্ন উদয় হইতেছে যে,বর্তমানে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল একটি আধুনিক দেশ।যাহা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী,বাংলাদেশের স্থাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মানস কন্যা শেখ হাসিনার কারনে সম্ভব হইয়াছে।বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রশীলতা শেখ হাসিনার মাধ্যমেই অগ্রসর হচ্ছে অভিমত দেশের জনগনের।তথাপি অতীতে বাংলাদেশের অনান্য সরকারের চেয়ে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অধিক উদিয়মান,অগ্রসারমান,চলমান,তুলনাহীন। যদিও সব সরকারের ই মেয়াদ থাকে,ছিল সংবিধান অনুযায়ী ৫ বছর। পর্যায়ক্রমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রার্থীকে প্রতিদ্বন্দীতা করার জন্য আ’লীগ তাদের মনোনিত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মুঃ জিয়াউর রহমানকে মনোনয়ন প্রদান করেন।দেশের সকল মিডিয়া সহ দেশবাসী অবগত আছেন,ছিলেন বহুমাত্রার যাচাই বাছাই,তৃনমুল নেতাকর্মীদের অভিমত,গোয়েন্দা রিপোর্ট পজেটিভ পেয়েই চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।এবং দলীয় প্রধান যথা আ’লীগ দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন দলের মনোনিত ব্যাক্তির পক্ষেই ভোট করতে হবে নতুবা দল থেকে বহিস্কার করা হবে,স্বত্তেও চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসের ছত্রছায়ায়,বাড়ন্ত যুবলীগ নেতা মমিন বিশ্বাস গত ২৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী কতৃর্ক জিয়াউর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়াই মানববন্ধন করার মত ঘটনাকে আমার নিকট উদ্দেশ্যে প্রনোদিত,এবং দলীয় হাইকমান্ড তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথা দলিয় নীতিনির্ধারকদের সাথে প্রতিদ্বন্দীতার সামিল বলে বিবেচিত হইয়াছে।প্রমান অনুমান করা যাইতেছে যে,উক্ত মানব বন্ধনকারীগন,মানববন্ধনকারীগনকে ইন্দোন দিয়েছেন এম পি গোলাম মোস্তফা তথা ইন্দোনদাতা,এবং দলীয় নির্দেশ অমান্যকারী বহু অপরাধের অপরাধী যুবলীগ নেতা মমিম বিশ্বাস বিএনপি জামায়াতের এজেন্ডা যাহা অহরহ অনুভব করা যাইতেছে যাহা এই আসনের শেখ হাসিনার মনোনিত প্রার্থী জিয়াউর রহমানের আপামর ভক্তকুল বুঝিয়া গিয়াছে যার মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনাকারী এক প্রকার জনগনের নিকট অযোগ্য নেতা বলে গন্য হইয়াছে।একপ্রকার জিয়াউর রহমানের প্রাথমিক বিজয় হইয়াছে।খুব শিঘ্রই এ বিষয়ে জনগনের নিকট উক্ত ছন্নছাড়া নেতাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা মহোদয়ের অনুমান করা উচিত এইযে,তার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অনীহা,এবং আস্থা নেই বলেই জিয়াউর রহমানকে মনোনয়ন প্রদান করা হইয়াছে,তথাপি নিজেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরের নির্বাচনের জন্য উপাস্থাপন করার প্রস্তুতি নেওয়ার পরিকল্পনা নিতে দলীয় নির্দেশনা মান্য করা অতীব জরুরী বলে আমি মনে করি।একক অধিপাত্য বিস্তারের মতভেদ ভূলে সবাই একত্রে,উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকার পক্ষে কাজ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনিত প্রার্থী জিয়াউর রহমানকে জয়ী করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা গ্রহণ না করলে চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সকল আ’লীগ নেতা-কর্মীগন বিরোধী দলের হুমকির মুখে পড়াসহ এই আসনটিতে পরাজয় বরন করার মতও ঘটনা ঘটবে।বিজয়ী হতে হলে একত্র হতে হবে,শেখ হাসিনাকে ভালবাসলে,দলকে ভালবাসলে দলের সভানেত্রীর নির্দেশনা মান্য করার মাধ্যমেই অর্জিত হবে চূড়ান্ত বিজয়। যাহা আ’লীগ সরকারকে সারা বিশ্বে আরো দৃঢ়মান এবং উন্নয়নশীল দেশরুপে পরিচিত করাবে।

 

লক্ষনীয় ঘটনা এইযে,রাজশাহী -১ আসন গোদাগাড়ী -তানোরে,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেন দুইবারের সফল সংসদ সদস্য ফারুক চৌধুরী অংশগ্রহণ করতে না পারে এবং তাকে যেন মনোনয়ন প্রদান করা না হয়,সে লক্ষে এই আসনের কয়েকজন হেভিওয়েট নেতাগন সেভেন ষ্টার জোট হয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিকট মনোনয়ন চাইলে দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী তাদের দাবী নাকচ করে পুনরায় সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরীকেই মনোনয়ন প্রদান করেন এবং তারই পক্ষে সেভেন ষ্টারকে কাজ করার নির্দেশ প্রদান করলে উক্ত সেভেন ষ্টার দলের স্বার্থে তাহা মাথা নত করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মান্য করার অঙ্গীকার করেন।অথচ এক সময় সেভেন ষ্টার গ্রুপ আর এম পি সমর্থকগনের সম্পর্ক খুবই খারাপ ছিল।এই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশিদের নিকট চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফার শিক্ষা নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।তথাপি ওমর ফারুক চৌধুরীর উন্নয়নে যদি গোদাগাড়ী-তানোরের আপামর জনগনের উন্নতি সাধিত হয় তবে আবারও ওমর ফারুক চৌধুরীর জয় এই আসনে অবধারিত।

 

লেখকঃ বেখেয়ালী ওয়াসিম আল-রাজি

মোবাইল ফোন ০১৭৩১ ৭৭ ৬৭ ৩৩

FB_IMG_15290351873810126

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

জাকির নায়েকের বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হতে পারে: মাহাথির

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল