«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

“ছোট কিন্তু লক্ষ্য অনেক বড়”

মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ | ৩:৪১ পূর্বাহ্ণ | 301 বার

জাহিদুল বাসারঃ চালচলন কথাবার্তায় বেশ স্মার্ট, ভদ্র। বেলা তিনটার

দিকে অফিস থেকে ফেরার পথে হাতির ঝিলে

দেখা। কাছে এসে বললো ভাইয়া পানি নেবেন ?

জিজ্ঞেস করলাম কত ?

– বোতল, ২০ টাক।

কেন এর দাম তো ১৫ টাকা ।

-ও বললো, মূল্য ১৫ টাকা হলেও আমি কষ্ট করে

হেটে হেটে বিক্রি করছি এজন্য ৫ টাকা বেশি

নেই। না হলে আমার লাভ কী।

আজ কয় বোতল বিক্রি হয়েছে ?

-এখন পর্যন্ত ৭টা।

স্কুলে না গিয়ে কি শুধু পানি বিক্রি কর ?

– না না, প্রতিদিন স্কুল থেকে এসে দুপুর দুইটার

দিকে বাসার পাশের দোকান থেকে ২০ টা করে

বোতল কিনে নিয়ে বিক্রি করতে বের হই। তাতে

কোনদিন ১০০ টাকা হয় আবার ৭৫/ ৫০ টাকাও হয়।

টাকা কি কর ?

– মার কাছে নিয়ে দেই। খুব খুশি হয়। আমার জন্য

রাখতেছে সব টাকা। আবার কিছু মনে হয় খরচও

করতেছে ।

এভাবে ঝিলের পাড়ে পানি বিক্রি করতে কে বলছে

তোমাকে ? এসব শিখলে কেমনে ?

– কেউ কয় নাই। বাসার পাশে কয়েকটা পোলা সারাদিন

পানি বেঁচে । ওদের দেখেই মনে হইল আমিও টাকা

বানাইতে পারি। ওগো সাথে কয়েকদিন দেখছি

কেমনে কি করে। পরে মারে কইলাম, আমিও স্কুল

থেকে ফিরে পানি বিক্রি করব, যাতে ওদের মত

আমারও টাকা হয়। প্রথমে রাজি হয়নাই। পরে পানি কিনে

দেছে। এখন প্রতিদিন দুপুর দইটা থেকে পানি

বেঁচতে বের হই।

স্কুল থেকে এসে কষ্ট হয় না ?

– হাসত হাসতে বলল, কষ্ট তো হয় এতগুলা বোতল

বইতে । টাকাও তো পাই।

বাসার অন্যরা কি করে ?

-আব্বা রিক্সা/ভ্যান চালায়। ভাইরাও কাজ করে।

বেশ কিছুক্ষণ কথপোকথনের পর ওকে বললাম।

আচ্ছা আমি তো তোমার সময় নষ্ট করলাম। এক

বোতল পানির দাম তো ২০ টাকা । আমার পানির দরকার

নেই তুমি শুধু টাকাটা নেও। মনে হল ও লজ্জা পেল।

হঠাৎ দৌড় দিল।

(ওর নাম শাহীন। বাসা মহানগর প্রজেক্টের

আসেপাশে)।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

জাকির নায়েকের বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হতে পারে: মাহাথির

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল