«» মূলমন্ত্রঃ : সত্যের পথে,জনগনের সেবায়,অপরাধ দমনে,শান্তিময় সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে" আমরা বাঙালি জাতীয় চেতনায় বিকশিত মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে সত্য এবং ধর্মমতে বস্তুনিষ্ঠ, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতায় সর্বদা নিবেদিত। «»

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়নে এগিয়ে জিয়া,মোস্তফার গলার কাটা কাদের

বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮ | ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ | 2788 বার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ

নির্বাচনে নৌকার

টিকিট মিলবে আট মানদণ্ডে। তীব্র

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন ধরে ব্যাপক

যাচাই-বাছাই করে এই আট গুণাবলিতে যিনি

এগিয়ে থাকবেন তাকেই দেওয়া হবে

আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন। শুধু নিজ

দলেই নয়, সর্বমহলে থাকতে হবে ব্যাপক

জনপ্রিয়তা ও ইমেজ। থাকতে হবে দলের জন্য

ত্যাগ ও আনুগত্য। একই সঙ্গে

মনোনয়নপ্রত্যাশীকে হতে হবে শিক্ষিত-

মার্জিত। খোঁজ রাখা হচ্ছে দলের

কর্মসূচিতে কতটা সক্রিয়, পারিবারিক ইমেজ,

সামাজিক মর্যাদা। এসব গুণের পাশাপাশি

দীর্ঘদিনের ত্যাগী-অভিজ্ঞ নেতারাই

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার

দৃষ্টিতে মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য হবেন।আর

এবারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

গোয়েন্দা রিপোর্টস এবং হাইকমান্ড এর সকল

মানদন্ডে পূর্ণতা অর্জন করে চাপাইনবাবগঞ্জ -২

আসনে মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্যতা অর্জনে

সবচেয়ে হাইলেভেলে এগিয়ে রয়েছেন

নাচোল,গোমস্তাপুর,ভোলাহাটের কৃতি

সন্তান,একবিংশ শতাব্দীর প্রবীন আ’লীগ নেতা,সাবেক সংসদ সদস্য

চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা আ’লীগের সহঃ সভাপতি,তৃনমুলের

পছন্দ,জনগনের আস্থাভাজন,মুঃ জিয়াউর রহমান ।দলের নীতিনির্ধারকরা বলছেন,যাদের

সঙ্গে এলাকার নেতা-কর্মীর সম্পর্ক নেই,পরিবারের সদস্যরা মাদক-সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত

তাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে না।

নির্বাচনী এলাকায় বড় বড় শোডাউন করে কিংবা বড়

নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে এলাকায় পোস্টার

সাঁটিয়ে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া যাবে না। দলের

বিভিন্ন ফোরামে নেতাদের উদ্দেশে এমন কথা

জানিয়েছেন

খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই। পেশি

শক্তি ও অর্থবিত্তের অধিকারী হলেই

মনোনয়ন পাওয়া যাবে—এমন ধারণা পোষণ

ঠিক হবে না। দলের একাধিক

নীতিনির্ধারণী ফোরামের নেতারা বিষয়টি

নিশ্চিত করেছেন। চাপাইনবাবগঞ্জ-২ সংসদীয় আসন নাচোল,গোমস্তাপুর,ভোলাহাট

ঘুরে জানা

যায়,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়ন পেতে ব্যাপক গনসংযোগ সহ

প্রচার প্রচারণা চালিয়েছেন প্রবীণ  নেতা জিয়াউর রহমান ।প্রায় দুই যুগের রাজনৈতিক দক্ষতা,নিজের যোগ্যতা,মেধা আর জনগনের

কল্যানে বিকাশিত মন দিয়ে খুব সহজেই নাচোল,গোমস্তাপুর,ভোলাহাটের সাধারণ জনগন সহ দলীয়

তৃনমুলের নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থা এবং

বিশ্বাস অর্জন করেছেন এই প্রবীণ নেতা।

দীর্ঘদিনের বিশ্বাসী রাজনৈতিক ব্যাক্তি হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তার অংশ হিসেবে সর্বত্রেই তার উপস্থিতীতে জনগনের ঢ্ল নামে।সকল দিক

বিবেচনায় এবারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ গোয়েন্দা প্রতিবেদন এবং

দলীয় হাইকমান্ডের সকল মানদন্ডে পূর্ণতা অর্জন করেছেন এই ত্যাগী নেতা।সূত্রে জানা যায়,আওয়ামী

লীগের হাইকমান্ড মনে করছেন,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তীব্র প্রতিযোগিতা হবে।আর তাই, চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে ইমেজসম্পন্ন,দূর্নিতীমুক্ত

ও যোগ্য প্রার্থী নাচোল,গোমস্তাপুর,ভোলাহাটবাসীর

বিশ্বাসী জননেতা,সাবেক সংসদ সদস্য,

চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার আ’লীগের সহঃ সভাপতি জিয়াউর রহমানকেই মনোনয়ন দিতে হবে, নইলে ভোটের আগেই‘পরাজয়’বরণ করতে হবে। সে কারণে এবার প্রার্থী নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।এজন্য কিছু মানদণ্ড নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর নিজস্ব টিম,

দলীয়, একটি বেসরকারি এবং কয়েকটি সরকারি সংস্থা দিয়ে কয়েক দফা মাঠ জরিপ করিয়েছেন তিনি।  এ

জরিপের ভিত্তিতে চাপাইনবাবগঞ্জ-২

আসনে জনগনের বিশ্বাসী নেতা

জিয়াউর রহমানকেই তাদেরই দলীয়

মনোনয়ন দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আ’লীগ দলীয় হাইকমান্ড এবং দলের নীতিনির্ধারকরা।তাছাড়া আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামের নেতারা বলছেন, দশম

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অন্যতম রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি অংশ না নেওয়ায়, মানদণ্ড

বজায় রাখার বিষয়কে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আগামী নির্বাচনে

বিএনপির অংশগ্রহণ প্রায় নিশ্চিত। আর তাই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ক্ষেত্রে উল্লিখিত গুণাবলি এক রকম বাধ্যতামূলক হয়ে

উঠেছে সেকারণে সকল মানদন্ডের পূর্ণতায় চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন নাচোল,গোমস্তাপুর,ভোলাহাটে একাদশ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য জিয়াউর রহমানকেই

মনোনয়ন দিবেন বলেও জানা গেছে।এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পালা।এ প্রসঙ্গে সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউর রহমান জানান,হাইকমান্ড এর গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং আমাকে ই এই আসনে যোগ্য প্রার্থী মনে করে আ’লীগ সভানেত্রী  শেখ হাসিনা মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছেন।ইনশাআল্লাহ ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ন্যায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও নাচোল,গোমস্তাপুর,ভোলাহাটের উন্নয়ন প্রিয় জনগন বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবে বলেও আশাবাদব্যাক্ত করেন এই প্রবীণ নেতা।

অপরদিকে সংসদীয় চাপাইনবাবগঞ্জ-২ এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফার গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী,নাচোল উপজেলা চেয়ারম্যান,নাচোল উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক আঃ কাদের।একক অধিপত্য বিস্তারে আঃ কাদেরের বাধা,সোনাইচন্ডী বাজার হাইস্কুলের একাকিতভাবে পরিচালনা,ম্যানেজিং কমিটি গঠন,বিভিন্ন পদে লোকবল নিয়োগ,এবং স্কুলের জায়গায় মার্কেট নির্মান এসবের কারনসহ হাজারো উপনাস্যের কাহিনি চাইতেও বিশাল কারনে দুজনের দ্বন্দ আজ অবদি অব্যাহত রয়েছে।যেকারণে বর্তমান এম পি গোলাম মোস্তফা এবং নাচোল উপজেলা চেয়ারম্যান আঃ কাদেরের কারনে আ’লীগের সাজানো মাঠ নষ্ট হওয়া সহ সাধারণ জনগন আ’লীগের প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন বলেও মনে করছেন তৃনমূল নেতা কর্মীরা।আর এসব কারনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ঘোষণা দেওয়ার পরই এম পি মোস্তফার গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে আঃ কাদের।সূত্রে জানা যায়,এম পি মোস্তফা সমর্থক এবং কাদের সমর্থকদের মাঝেও রয়েছে চরম ক্ষোভ।যেকারণে নাচোল,গোমস্তাপুর,ভোলাহাটে আ’লীগে সৃষ্টি হয়েছে বিভক্তি,ভেদাভেদ। যা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আশংকা করছেন নাচোল,গোমস্তাপুর,ভোলাহাটের তৃনমূল নেতাকর্মী।এ প্রসঙ্গে চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যাস্ত আছেন বলে জানান,এবং পরে কথা বলবেন বলে ফোন রেখে দেন।আর নাচোল উপজেলা চেয়ারম্যান আঃ কাদেরের ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ না করার কারনে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে সংসদীয় আসনের সাধারণ জনগন বলছেন এম পি মোস্তফা এবং কাদের এই দুজনের দ্বন্দের কারনে দুজন দুজনের গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে।আমরা ভেদাভেদ,গলার কাটা বুঝিনা,আমরা চাই উন্নয়ন।এই আসনে সার্বদিক বিবেচনা করে উন্নয়নে যার পাল্লা ভারি হবে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা তাকেই ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করব।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

কবিতা- “স্কাউট আত্মকথা”

Development by: bdhostweb.com

চুরি করে নিউজ না করাই ভাল